
John Keats | |
| জীবনকাল | Birth: 1795 Death: 1821 (ইংরেজ কবি যক্ষ্মা রোগে মৃত্যুবরণ করেন) |
| পরিচিতি | The poet of 'Romantic Age' is John Keats. John Keats is a Romantic poet. He is a Poet of sensuousness. A famous English poet who was Professionally known as a man of medicine is Keats. |
| বিখ্যাত গ্রন্থ |
|
| Important Quotations |
|
১৭৯৫ সালের ৩১ অক্টোবর লন্ডনের মুবফিল্ডস নামক স্থানে ইংরেজি সাহিত্যের খ্যাতিমান কবি জন কিটস জন্মগ্রহন করেন। তার বাবার নাম টমাস কিট্স এবং মায়ের নামে ফ্রান্সিস জেনিংস। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে কিট্স ছিলেন সবার বড়।
মাত্র আঠারো বছর বয়সে কিসের প্রথম বই 'ইমিটেশন অব স্পেসার' প্রকাশিত হয়। কিসের অন্য বইগুলো হচ্ছে, 'পোয়েমস্', 'এন্ডাইমিয়ন', লামিয়া এ্যান্ড আদার পোয়েমস্', 'ওড টু অটাম', 'ওড অন এ গ্রিসিয়ান আর্ম', 'দি ইভ অব সেন্ট অ্যাগনিস', 'লামিয়া' প্রভৃতি কবিতা স্থান পেয়েছে।
'টু অটাম' (To Autun) কবিতাটি ১৮১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উইনচেস্টারে লেখা। সেখান থেকে কিট্স জন হ্যামিল্টন রেনল্ডকে লেখেন। সেখান থেকে কিট্স জন হ্যামিল্টন রেনল্ডকে লেখেন-বর্তমান ঋতুটি কত সুন্দর, কী চমৎকার আবহাওয়া। উইনচেস্টারের এই সেপ্টেম্বর মাসের সময়টি কিট্সকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করেছিল। সে সময়ের প্রাকৃতিক রূপ তাকে বিমোহিত করেছিল, যা তার বন্ধুর কাছে লেখা পত্র পাঠ করলে বোঝা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. He (1795-1821) was an English Romantic poet. Keats at his 26, died of Tuberculosis.
ii. তাকে বলা হয় পয়েট অব বিউটি (poet of beauty), পয়েট অব সেনসুয়াসনেস (poet of Sensuousness') ইত্যাদি।
iii. Occupation: Poet, Professionally known as a man of medicine.
iv. Keats ছিলেন Romantic কবিদের মধ্যে সবচেয়ে Young।
v. Keats এর কাব্যিক জগ'টা বিশিষ্টায়িত করা যায়- Sensuousness, Hellenism, Negative capability, aestheticism এবং Escapism হিসেবে।
vi. Keats অধিক পরিচিত তার sense of beauty এর জন্য।
vii. Century: 19th Century
viii. Famous sonnet: On First Looking into Chapman's Homer (মূলত কবি Homer এর মহাকাব্যগুলোর প্রথম ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন জর্জ চ্যাপম্যান)।
ix) শেলী বলেছেন, "Keats was a Greek", কীটসের প্রাচীন গ্রীক সৌন্দর্য্যপ্রিয়তার উৎসমুখ প্রধানত: তিনটি। প্রথমত: গ্রীক সাহিত্যের প্রতি প্রবল অনুরাগ; দ্বিতীয়ত: গ্রীক ভাস্কর্য শিল্পের প্রতি প্রগাঢ় মোহ; তৃতীয়ত: তাঁর জণ্ডগত সৌন্দর্য্য সাধন। "অন সিইং দি এলগিন মার্বেল”, “ওড ওন এ গ্রীসিয়ান আর্ন", "ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস", "হাইপেরিয়ন” প্রভৃতি কাব্য ও কবিতায় কবি গ্রীসের ভাস্কর্য শিল্পের পেলব মসৃণতা, সূক্ষ্ম কারুকার্য ও অসামান্য রূপকে নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। "ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস” কবিতায় চ্যাপেলের অভ্যত্মরে নানা দেবদেবীর মূর্তিগুলোকে জীবত্ম করে বর্ণনা করেছেন।
Ode শব্দটির অর্থ সঙ্গীত। সঙ্গীতের জন্য রচিত কবিতাগুলিকে বলা হত ode. ইংরেজী সাহিত্যে একজাতীয় গীতি-কবিতাকে বলা হয় "ওড্”।
Notable works : তাঁর প্রথম রচনা "ইমিটেশন অব স্পেন্সার" (১৮১৩) আঠার বছর বয়সে রচিত। ১৮১৭ সালে তাঁর কবিতার প্রথম খণ্ড আত্মপ্রকাশ করে। খণ্ডটির নাম "পোয়েমস”। এই গ্রন্থটি লে হান্টের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। এর কয়েকটি বিখ্যাত কবিতা হল "অন ফাষ্ট লুকিং ইনটু চ্যাপম্যানস হোমার", "স্লিপ এণ্ড পোয়েট্রি", এবং "আই স্টুড টিপ-টো আপন এ লি হিল"।
- "Ode to Psyche" [ওড টু সাইকি] (১৮২০){ "ওড্ টু 'সাইকি' "তে তিনি সাইকির সৌন্দর্য্যের ধ্যান করেছেন, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের মধ্যে একটা সকরুণ বিষাদের ছাপ আছে। সাইকি হল বিষণ্ণ প্রেমের প্রতিমূর্তি। বিষণ্ণ বলতে কোন দুঃখজনক ঘটনাকে বোঝায় না।}
- "Ode to a Nightingale" [ওড টু এ নাইটিংঙ্গেল] {"ওড্ টু নাইটিঙ্গেল" কবিতায় সেই প্রচ্ছন্ন বিষাদের সুর লক্ষ্য করা যায়, যদিও বিহঙ্গের সঙ্গীত সুরে কবি জীবনের আনন্দলোক উত্তরণ করেছেন। বিহঙ্গ আনন্দের প্রতিমূমর্তি। তার সঙ্গীত আনন্দ রসের ধারা। তবুও সেই আনন্দের মধ্যে বিষণ্ণতা আছে বলেই কবির মনে হয়েছে, বিষণ্ণময়ী রূপের কথা, মনে হয়েছে বিষণ্ণ বাতায়নের কথা।}
- "Ode on a Grecian Urn" [ওড অন এ গ্রেসিয়ান আর্ন) (১৮২০) (“ওড্ অন এ গ্রীসিয়ান আর্ন" কবিতায় কবি নি:সঙ্গ প্রকৃতি জগতের মধ্যে Cold pastoral চিত্র অঙ্কন করেছেন।)
- "Ode on Melancholy" [ওড অন মিলানকোলি] {"ওড্ অন মেলানকোলি'তে কবি বিষণ্ণতার স্বরূপ উদ্ঘাটন করে বলেছেন, যে বিষণ্ণতার আবাস আনন্দের মন্দিরে}
- "Endymion" [এনডাইমিয়ন) (১৮১৮)
- "The Eve of St. Agnes" ["দ্যা ইভ অব সেন্ট অ্যাগনেস” কবিতায় কবির অতৃপ্ত প্রেমের কামনার আর্তি তীব্রতর। ঝড়-ঝঞ্ঝা; বিপদ-আপদ, মৃত্যুকে তুচ্ছ করে, শত শত্রুর তরবারি হৃদয় বিদ্ধ করবে জেনেও প্রেমিক চলেছে প্রেমিকার সাথে মিশলনের উদ্দেশ্যে। প্রেমের পথ মসৃণ নয়, বন্ধুর।)
- "Hyperion" [হাইপেরিয়ন) (১৮২০)
- "Lamia" [লামিয়া] (১৮২০)
- Ode to Autumn ["টু আটম”]
- Isabella ["ইসাবেলা” (১৮১৮),]
Keats এর poems মনে রাখার কৌশল: MEGHNA LIMA
MEGHNA M = Melancholy E = Endymion G = Grecian Urn H = Hyperion N = Nightingale A = Autumn |
LIMA L = Lamia I = Isabella M = Melancholy A = Autumn |
Keats এর Quotations মনে রাখার সহজ কৌশল: Keats এর: Quotations:
Keats কে বলা হয় Poet of beauty। তাই beauty নিয়ে নিচের দুটি বিখ্যাত Quotations Keats এর হওয়া স্বাভাবিক।
- A thing of beauty is a joy for ever (সুন্দর বস্তু মাত্রই চিরকাল আনন্দের-এন্ডাইমিয়ন এর প্রথম লাইন।)
- Beauty is truth, truth beauty (সৌন্দর্যই সত্য, সত্যই সুন্দর।) (Ode on a Grecian Urn)
Heard melodies are sweet, but those unheard are sweeter. (Ode on a Grecian Urn)
(This means that sometimes imagination is better than the experience of the physical senses.)
'লামিয়া' (Lamia)
'লামিয়া' (Lamia): এক নাগিনীকন্যা। দেবতা হার্মিস এই নাগিনীকে এক অপরূপা সুন্দরী নারীতে রূপান্তরিত করেন। রূপান্তরিত লামিয়া করিন্-থিয়াবাসী লীশিয়সকে (Lycious) ভালবাসল। রূপমুগ্ধ লীশিয়স গোপনে তাকে নিয়ে যান নিজের গৃহে। সেখানে মিলনোৎসবের ভোজসভায় লীশিয়সের শিক্ষাগুরু বৃক্ষ অ্যাপোলোনিয়স (Apollonious) এই মায়াবিনীর স্বরূপ প্রকাশ করে দিতেই লামিয়া আর্তনাদ করে অদৃশ্য হয়ে গেল। পড়ে রইল মর্মাহত লীশিয়াসের সুসজ্জিত দেহ, নিষ্প্রাণ, অসাড়।
'ইসাবেলা, অর দ্য পট অব ব্যাসিল' (Isabella or the pot of of Basil)
'ইসাবেলা, অর দ্য পট অব ব্যাসিল' (Isabella or the pot of of Basil):" ইসাবেল বা ব্যাসিল ফুলের টব- কাহিনীটি ইটালির বিখ্যাত গল্পলেখক বোক্কাচিও (Boccaccio)- র 'ডেকামেরন' থেকে নেওয়া। ইসাবেলা ও লরেঞ্জোর (Lorenzo) মধ্যে ছিল গভীর ভালবাসা। ইসাবেলার ভাইয়েরা তা জানতে পেরে একদিন লরেঞ্জোকে দূরে বনের মধ্যে ভুলিয়ে নিয়ে যায় এবং হত্যা করে। স্বপ্নে জানতে পেরে বিরহকাতরা ইসাবেলা বনমধ্যে হাজির হলো এবং মৃতদেহ দেখতে পেল। ব্যথাহতা ইসাবেলা প্রিয়তম লরেঞ্জোর ছিন্ন শির একটা টবে মাটি চাপা দিয়ে রেখে তাতে লাগাল সুগন্ধি গুল্ম ব্যাসিলের চারা। ব্যাসিলর গুল্মের টবের প্রতি ইসাবেলার আন্তরিক আকর্ষণ দেখে তার নিষ্ঠুর ভাইয়েরা একদিন টবটি চুরি করল। টবটির মধ্যে ছিন্নমুন্ড দেখে আতঙ্কিত হয়ে তারা পালাল আর হতভাগিনী ইসাবেলা সব হারানোর বেদনায় জর্জরিত হয়ে তিলে তিলে শুকিয়ে মারা গেল। চন্দ্র, সূর্য তারাঘেরা এই বিশ্বসংসারকে ভুলে লরেঞ্জোর ধ্যানে মগ্না উন্মাদিনী ইসাবেলা। এই উন্মাদনাতেই প্রেম মৃত্যুঞ্জয়ী। সেই চিরঞ্জীব প্রেমের এক অপূর্ব রূপ ইসাবেলার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্বে পাঠকের সহমর্মিতা লাভ করে প্রেমই জয়ী হয়েছে।
'দ্য ঈভ অব সেন্ট আগ্নিস' (The Eve of St. Agnes)
'দ্য ঈভ অব সেন্ট আগ্নিস' (The Eve of St. Agnes): মধ্যযুগের পটভূমিকায় রচিত এক বর্ণাঢ্য আখ্যানমূলক কবিতা। নায়িকা ম্যাডলীন (Madline) এবং নায়ক পফিরো (Porphyro) পরস্পর প্রণয়াসক্ত কিন্তু উভয় পরিবারের মধ্যে পারস্পরিক শত্রুতা বর্তমান। এই মিলনের তাই কোন পক্ষেরই সায় নেই এবং কার্যত " ম্যাডলীন গৃহবন্দিনী। চারপাশে হিংস্র পশুদল ও নিষ্ঠুর প্রহরী দ্বারা বেষ্টিত। লোকশ্রুতিতে ম্যাডলীন শুনেছে যে সেন্ট অ্যাগ্নিসের স্মরণ দিনের পূর্ব রাত্রে স্বপ্নে কুমারীরা তাদের প্রেমিককে দেখতে পায়। এই স্বপ্ন কামনা নিয়েই রাত্রে কখন সে ঘুমিয়ে পড়েছিল। স্বপ্নে সে দেখল পর্ফিরোকে। স্বপ্ন থেকে জেগে সে দেখল তার পফিরো সেখানে স্বদেহে-ই উপস্থিত। তাঁর বিহ্বল অবস্থা কেটে যাওয়ার পর সেই শত্রু-বেষ্টিত পুরীতে কোন অঘটন ঘটে যাওয়ার আগেই দু'জনে পালিয়ে গেল।
প্রেম ও প্রতাপের দ্বন্দ্বে এখানেও প্রেম জয়ী। তবে 'ইসাবেলা'তে জয় বিরহে, এখানে জয় মিলনে। এই কবিতাটিতে আধ্যাত্মিকতা, মধ্যযুগীয় সংস্কার ও বিশ্বাস মিলিয়ে কবি পাঠকমনকে ক্ষণকালের জন্য এক মধ্যযুগীয় পটভূমিকায় নিয়ে গেছেন। কবির রচনা এখানে অনেক পরিণত।
'হাইপীরিয়ন' (Hyperion)
'হাইপীরিয়ন' (Hyperion) গ্রিক আখ্যামূলক কাব্য। রচনা শুরু করেন ১৮১৮ খ্রিষ্টাব্দে, কিন্তু শেষ হয় না। কিছুদিন পরে আবার লিখতে শুরু করেন। কিন্তু শেষ সেবারেও হলো না। ফলে কাব্যটি অসমাপ্তই রয়ে গেল। হাইপীরিয়নের (সূর্যদেবতার) পৌরাণিক আখ্যান দিয়েই কাব্যের বর্ণনা আরম্ভ হয়েছে। রাজ্যচ্যুত শনি রাজ্য পুনরুদ্ধারের জন্য সূর্যদেবতা হাইপীরিয়নের সাহায্যপ্রার্থী হন। কিন্তু তাঁর আশা পূর্ণ হয় না। সঙ্গীত, কাব্য ও জ্ঞানের দেবতা 'অ্যাপোলো' দেখা দিলেন। কাব্যের প্রথমাংশ এখানেই অসমাপ্ত, দ্বিতীয়াংশে হাইপীয়রিয়নের পতন (Fall of Hyperion)। কবি স্বপ্নে কোন মন্দিরের দিকে চলেছেন। পৃথিবীর দুঃখে দুঃখিত সহৃদয় জনেরই সেখানে মাত্র প্রবেশাধিকার। হৃতগৌরব শনির দুঃখে বিষাদময়ী দেবী মনীটা (Moneta " জুনো) কবিকে জানালেন হাইপীরিয়নের পতন হয়েছে এবং রাজ্যলাভ করেছেন 'অ্যাপোলো'। কাব্য শেষ।
‘To Autumn’
'To Autumn' একটি শৈল্পিক কবিতা। এই কবিতায় কবি প্রথমে 'শরৎকাল'-কে ফলফলাদি পাকার ঋতু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ শরৎকাল সূর্যের সাথে মিলে আঙ্গুর ও আপেলকে পাকায়, লাউকে ও হিজল ফলগুলো মিষ্টি শাঁস দ্বারা পুষ্ট করে এবং অসংখ্য ফুল ফোটায় যাতে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মৌচাককে কানায় কানায় পূর্ণ করতে পারে। দ্বিতীয় অংশে কবি 'পরৎকাল'-কে নারীরূপে বর্ণনা করেছেন। নারীরূপী শরৎকাল শস্য গোলাজাত করার কাজে ব্যস্ত। ধান মাড়াই এর কলের কাছে তাকে উদাসীনচিত্তে বসে থাকতে দেখা যায়। শস্য ঝাড়াই করার যন্ত্রের বাতাসে তার চুল উড়তে দেখা যায়। সে শস্যকর্তনরূপে অর্ধকর্তিত শস্যক্ষেত্রে পপি ফুলের গন্ধে ঘুমিয়ে থাকে। আবার কখনো তাকে দেখা যায় শস্যের বোঝা কাঁধে নিয়ে চলতে কিংবা আপেল থেকে রস বের করা যন্ত্রের পাশে ধৈর্য ধরে বসে থাকতে। শেষ পর্বে কবি শরৎকালকে বসন্তকালের সাথে তুলনা করে বলেছেন যে, বসন্তকালের মতো তোমারও নিজস্ব সংগীত আছে। ডাঁশদের গুঞ্জনধ্বনি, চড়ুই পাখিদের কিচিরমিচির, ভেড়ার কণ্ঠের ধ্বনি, ঝোপঝাড়ে ঝিঝি পোকার চিৎকার-এগুলো তাঁর নিজস্ব সুর। নীলাকাশে সাদা সাদা খণ্ড মেঘ এবং বিকেলের সূর্যের আলোতে ঘড়ের মাঠের গোলাপি আভা হলো শরৎ'র নিজস্ব রং। এভাবে কবি এই কবিতায় শরৎকালকে বিচিত্র চিত্রে চিত্রায়িত করেছেন।
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
Read more